
ঢাকা অফিস :
দেশের ৪২টি জেলা পরিষদে নতুন প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার। গতকাল রোববার স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এতে কুমিল্লা জেলা পরিষদে নিযোগ পেয়েছেন বিএনপি নেতা মোস্তাক মিয়া। তিনি কেন্দ্রীয় বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক (কুমিল্লা বিভাগ)। এর আগে কুমিল্রা জেলা পরিষদে প্রশাসক পদে নিয়োগ পেতে দলের আরও হাফ ডজনাধিক নেতার নাম আলোচনায় আসলেও দলটির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কুৃমিল্লার জনপ্রিয় বিএনপি নেতা মোস্তাক মিয়ার প্রতি আস্থা রেখেছেন।
এক প্রতিক্রিয়ায় মোস্তাক মিয়া বলেন, দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিকট আমি কৃতজ্ঞ। তিনি যে আস্থা ও বিশ্বাস রেখে আমাকে প্রশাসক পদে দায়িত্ব দিয়েছেন আশা করি আমার কাজের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রীর সন্মান রাখতে পারবো। এদিকে মোস্তাকের প্রশাসক নিয়োগ লাভের খবরে দলের নেতাকর্মী ও অনুসারীরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোষ্ট দিয়েছেন।
এদিকে সরকারের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘জেলা পরিষদ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪’-এর ধারা ৩ দ্বারা জেলা পরিষদ আইন, ২০০০-এ সন্নিবেশিত ধারা ৮২ক(১) মোতাবেক নিম্নবর্ণিত ব্যক্তিদেরক পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত তাদের নামের পার্শ্বে উল্লিখিত জেলা পরিষদের পূর্ণকালীন প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ প্রদান করা হলো। স্থানীয় সরকার বিভাগের প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, নিয়োগকরা প্রশাসকরা ‘জেলা পরিষদ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪’-এর ধারা ৩ দ্বারা জেলা পরিষদ আইন, ২০০০-এ সন্নিবেশিত ধারা ৮২ক(৩) অনুযায়ী জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করবেন। তারা বিধি মোতাবেক ভাতা প্রাপ্য হবেন।
যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়।
# কোন জেলা পরিষদে কে হলেন প্রশাসক :
কুমিল্লায় মো. মোশতাক মিয়া, পঞ্চগড়ে মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, দিনাজপুরে মোফাজ্জল হোসেন দুলাল, রংপুরে মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, কুড়িগ্রামে মো. সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, গাইবান্ধায় অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিক, জয়পুরহাটে মো. মাসুদ রানা প্রধান, বগুড়ায় এ.কে.এম. আহাসানুল তৈয়ব জাকির, চাঁপাইনবাবগঞ্জে মো. হারুনুর রশিদ, নওগাঁয় মো. আবু বক্কর সিদ্দিক, রাজশাহীতে মো. এরশাদ আলী, নাটোরে মো. রহিম নেওয়াজ, মেহেরপুরে মো. জাভেদ মাসুদ, কুষ্টিয়ায় সোহরাব উদ্দিন, ঝিনাইদহে মো. আবুল মজিদ, যশোরে দেলোয়ার হোসেন খান খোকন, মাগুরায় আলী আহমেদ, বাগেরহাটে শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন।
খুলনায় এস এম মনিরুল হাসান (বাপ্পী), পটুয়াখালীতে স্নেহাংশু সরকার, ভোলায় গোলাম নবী আলমগীর, বরিশালে আকন কুদ্দুসর রহমান, ঝালকাঠিতে মো. শাহাদাৎ হোসেন, পিরোজপুরে আলমগীর হোসেন, টাঙ্গাইলে এস এম ওবায়দুল হক, শেরপুরে এ.বি.এম. মামুনুর রশিদ, ময়মনসিংহে সৈয়দ এমরান সালেহ, নেত্রকোনায় মো. নূরুজ্জামান (অ্যাড.), কিশোরগঞ্জে খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান, মুন্সীগঞ্জে এ. কে. এম. ইরাদত, নারায়ণগঞ্জে মো. মামুন মাহমুদ, রাজবাড়ীতে আব্দুস সালাম মিয়া, গোপালগঞ্জে শরিফ রফিক উজ্জামান, মাদারীপুরে খোন্দকার মাশুকুর রহমান, শরীয়তপুরে সরদার এ. কে. এম. নাসির উদ্দিন, সুনামগঞ্জে মো. মিজানুর রহমান চৌধুরী, সিলেটে আবুল কাহের চৌধুরী, মৌলভীবাজারে মিজানুর রহমান, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সিরাজুল ইসলাম, নোয়াখালীতে মো. হারুনুর রশিদ আজাদ, লক্ষ্মীপুরে সাহাব উদ্দিন এবং কক্সবাজারে এ টি এম নুরুল বশর চৌধুরী।