
নিজস্ব প্রতিবেদক
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষে ১০জন আহত হয়েছেন। এ সংঘর্ষ থানা পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) উপজেলার জগন্নাথদিঘি ইউনিয়নের হাটবাইর গ্রামে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। আহতদের চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সসহ জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, চৌদ্দগ্রাম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জামায়াতের সমাবেশ শেষে নেতাকর্মীরা বাড়ি ফেরার পথে জগন্নাথদিঘি ইউনিয়নের হাটবাইর গ্রাম এলাকায় পৌছলে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা তাদের দেখে বিভিন্ন ধরণের উসকানিমূলক কথা বলতে থাকেন। এ সময় জামায়াত নেতাকর্মীদের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে উভয় গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন। এ ঘটনায় এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।
এ বিষয়ে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মু. বেলাল হোসাইন বলেন, আমাদের নেতাকর্মীরা আমিরে জামায়াতের সমাবেশ শেষে বাড়ি ফেরার পথে বিএনপির অস্ত্রধারী চিহ্নি সন্ত্রাসী মিজান খান, গাজী ইয়াছিন ও মোবারক চৌধুরীর নেতৃত্বে তাদের ওপর হামলা চালায়। এ ঘটনায় আমাদের অন্তত ১০জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
উপজেলা বিএনপির সহ সভাপতি সোলেমান চৌধুরী জানান, শনিবার দুপুরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মিজানের বাড়িতে জামায়াত শিবিরের নেতারা সমাবেশ করে ফেরার পথে আক্রমণ করে। এ সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে বিএনপির নেতারা এগিয়ে আসলে জামায়াত-শিবির পুনরায় তাদের ওপর হামলা চালায়। এসময় আমি ও আমার গাড়ি চালক আহত হই।
চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু মাহমুদ কাওসার হোসেন বলেন, খবর পেয়ে থানা পুলিশের একটি টিম ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌছেন। বর্তমানে পরিস্থতি শান্ত রয়েছে। বিস্তারিত পরে জানাতে পারবো।