
নিজস্ব প্রতিবেদক
কুমিল্লা (৩) মুরাদনগরের সাবেক এমপি ও মন্ত্রী বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও ধানের শীষের প্রার্থী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ এর মনোনয়ন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা বৈধ ঘোষণা করলেও নির্বাচন কমিশনে প্রার্থীতা বাতিলের আবেদন করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা কতৃক প্রার্থীতা বাতিল হওয়া জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ইউসুফ সোহেল।
নির্বাচন কমিশন আপিল শোনানি শেষে সাবেক মন্ত্রী ও বিএনপির প্রার্থী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ এর মনোনয়ন বহাল রেখে জামায়াতের আপিল খারিজ করে দেন।
নির্বাচন কমিশনে ব্যার্থ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ইউসুফ সোহেল এবার বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থী ৫ বারের সাবেক এমপি কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ এর প্রার্থীতা বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন। আদালত সাবেক মন্ত্রী কায়কোবাদ এর সকল ডকুমেন্টসের সততা পেয়ে জামায়াতের রিট খারিজ করে দেন।
তবুও বিনা ভোটে এমপি হওয়ার স্বপ্নের ঘোর কাটেনি জামায়াতের এমপি প্রার্থী ইউসুফ সোহেলের তিনি আপিল বিভাগেও রিট করেন। আজ সেই আপিলও খারিজ করে দেয় আদালত।
তবে আদালতের রায়ের পূর্বে কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ এর মনোনয়ন বাতিল বলে অপপ্রচার চালায় জামায়াত শিবিরের সমর্থকরা। দৈত্ব নাগরিকত্বের অভিযোগে প্রার্থীতা বাতিলের আপিল করলেও সাবেক উপদেষ্টা আসিফ ও জামায়াতের প্রার্থী ইউসুফ সোহেল বিভিন্ন জায়গায় বক্তব্যে কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদকে ঋণখেলাপী বলেও অপপ্রচার করেন।
এ বিষয়ে মুরাদনগর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক কামাল উদ্দিন ভুইয়া বলেন – আমাদের জনপ্রিয় জননেতা কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ এর বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ নানান ষড়যন্ত্র করেছে এখন জামায়াতে ইসলামী ষড়যন্ত্রের পাশাপাশি অপপ্রচারও চালাচ্ছে। তাদের উদ্দেশ্য জনগনকে বিভ্রান্ত করা এবং বিএনপি নেতা কর্মীদের মনোবল ভেঙে দেওয়া কিন্তুু জনগ তাদের অপপ্রচার প্রত্যাখান করেছে।
উল্লেখ্য যে, বিএনপি প্রার্থী মুরাদনগরের সাবেক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ কুমিল্লার সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রার্থী এবং তার নির্বাচনী আসনকে বিএনপির ঘাঁটি বলা হয়। এ আসন থেকে ৬ বার নির্বাচন করে ৫ বারই জয়লাভ করেন কায়কোবাদ। এবারে ৬ষ্ঠ বারের মত এমপি হতে যাচ্ছেন তিনি।