কুমিল্লা নগরীর নিউমার্কেট এলাকা। এখানে গেলেই চোখে পড়ে কয়েকটি মিষ্টান্ন দোকান। এসব দোকানে সাজানো জিলাপির ডালা। ডালার পাশেই কড়াইভর্তি তেলে টগবগ করে ভাজা হচ্ছে জিলাপি।
গরম গরম জিলাপি তেল থেকে উঠেই ডুবে যাচ্ছে মিষ্টির সিরায়। মুহূর্তেই চারপাশে ছড়িয়ে পড়ছে মিষ্টি ঘ্রাণ।
এখনকার জিলাপি দোকানগুলো প্রায় অর্ধশত বছরের পুরোনো। এসব দোকানের যেমন নামডাক রয়েছে, তেমনি তাদের জিলাপিও সুস্বাদু বলছেন ক্রেতারা।
বিকাল গড়াতে এসব মিষ্টান্নের দোকানে ক্রেতাদের ভিড় জমে। ক্রেতাদের চাহিদা সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছেন বিক্রেতারা। কেউ বাসার জন্য কিনছেন, আবার কেউ দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়েই গরম জিলাপি তৈরির দৃশ্য উপভোগ করছেন। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সারা জমিনে গিয়ে মানচিত্র দেখা গেছে।
অন্যান্য সময়ের তুলনায় রমজানে বিক্রি কয়েকগুণ বেড়ে যায়। প্রতিদিন কয়েক মণ ময়দা দিয়ে জিলাপি তৈরি করতে হচ্ছে। বিশেষ করে ইফতারের এক থেকে দেড় ঘণ্টা আগে বিক্রি সবচেয়ে বেশি হয় বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
মিষ্টি দোকানী সুমন ঘোষ। জিলাপি তৈরী ও বিক্রির বিষয়ে কথা হয় তার সাথে। তিনি বলেন, এখানকার জিলাপি মাসকলাই দিয়ে তৈরি। আমাদের জিলাপির একটি ঐতিহ্য রয়েছে; এ ব্যবসা প্রায় ৫০ বছরের। সব সময়ই বিক্রি ভালো হয়, তবে রমজানে বিক্রি তুলনামূলকভাবে বেশি হয়।