
নিজস্ব প্রতিবেদক
পরিচ্ছন্ন নগরী গড়ে তুলতে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের (কুসিক) উদ্যোগে শুরু হয়েছে তিন মাসের বিশেষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) নগরীর ২১নং ওয়ার্ডের জাঙ্গালিয়া কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে এ অভিযানের উদ্বোধন করেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের (কুসিক) প্রশাসক মোঃ শাহ আলম।
কুসিক প্রশাসক মোঃ শাহ আলম বলেন, যানজট সমস্যা সমাধানে আগামী ৭দিনের মধ্যে দৃশ্যমান কাজ শুরু হবে। সড়কে ধুলবালি, যত্রতত্র স্থানে ময়লা রাখা, বাড়ীর আঙ্গিনা পরিস্কার রাখতে নগরীর ২৭ টি ওয়ার্ডে ধারাবাহিকভাবে এই পরিচ্ছন্ন অভিযান চলমান থাকবে। এছাড়াও ড্রেনেজ, সড়ক ও অবৈধ ভাবে গড়ে উঠা ফুটপাতের স্থাপনা দখলমুক্ত করণসহ সাধারণ মানুষকে সচেতনা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই কার্যক্রম হাতে নিয়েছে কুসিক প্রশাসন।
কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের(কুসিক) পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্বোধনে উপস্থিত ছিলেন ২১নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর কাজী মাহবুবুর রহমান, সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইউসুফ, সিটি কর্পোরেশন (কুসিক) কর নির্ধারণ কর্মকর্তা ও নগরীর ২২ নং ওয়ার্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ ইকবাল হোসেন ভূঁইয়া, উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও নগরীর ২১ নং ওয়ার্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাজী মাকসুদুর রহমান,
বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মোঃ আলমগীর হোসেন,
২১ নং ওয়ার্ডের সচিব মোঃ কাউছারসহ নগর ভবন ও বিভিন্ন ওয়ার্ডের সচিব, কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন।
নগরীর ২১নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর কাজী মাহবুবুর রহমান বলেন, কুমিল্লার সর্ববৃহৎ বাস টার্মিনাল। এ ওয়ার্ডে ইপিজেড হওয়ার কারণে মানুষের বসবাস যাতায়াত বেশী। প্রশাসক মহোদয়কে ধন্যবাদ তিনি ইয়াছিন মার্কেট, জাঙ্গালিয়াসহ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। একই সাথে আমরা যারা এ শহরের বাসিন্দা আছি। আমাদেরও দায়িত্ব আছে। সচেতন থাকতে হবে।
কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোঃ শাহ আলম আরো বলেন, নগরীতে লোকসংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ শহরে প্রায় ১৫-১৬ লক্ষ মানুষ বসবাস করে, কর্মকর্তা মাত্র ৬৫জন। সিটি কর্পোরেশনের ২৭টি ওয়ার্ডে ধারাবাহিকভাবে এ অভিযান পরিচালনা করা হবে। জলাবদ্ধতা সমস্যা সমাধানে খাল খনন কাজ চলমান আছে। কান্দিরপাড় থেকে জাঙ্গালিয়া পর্যন্ত খালটি গভীরভাবে পুনঃখনন ও স্থায়ী বক্স ড্রেন নির্মাণের জন্য
টেন্ডার করা হয়েছে।
যানজট সমস্যা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যানজট সমস্যা সমাধানে আগামী ৭দিনের মধ্যে দৃশ্যমান কাজ শুরু হবে। পূর্বে কিছু অব্যবস্থাপনা ছিলো।
নগরীর সড়কের অবৈধ তোরণ ও বিলবোর্ড নিয়ে তিনি বলেন, যারা বিলবোর্ড ভাড়া দেয় বা তোরণ তৈরির ডেরকোরেটর আছে তাদের জরিমানা করছি। রেভিনিউ আদায়ের মাধ্যমে আমরা নগর ভবনের আয় বৃদ্ধি করছি।