বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০১:৫৫ অপরাহ্ন
সারাদেশে

মোহনপুর উচ্চ বিদ্যালয় নিয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

  • আপডেট সময়: মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৬২ দেখেছেন :

স্টাফ রিপোর্টার।।
দেবিদ্বার উপজেলার মোহনপুর উচ্চ বিদ্যালয় ঘিরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে অপপ্রচার ও প্রবিধানমালা লঙ্ঘন করে প্রধান শিক্ষককে অবৈধভাবে সাময়িক বহিষ্কারের আদেশের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে দেবিদ্বার নিউমাকের্ট এলাকার একটি রেস্তোরায় উপজেলা শিক্ষক সমিতি, স্কুলের শিক্ষক ও এলাকাবাসীর উদ্যোগে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে স্কুলের প্রধান শিক্ষক কাজী আলমগীর হোসেন লিখিত বক্তব্যে বলেন, আদালতের আদেশে শূণ্য পদে বিধি মোতাবেক প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হই। তাঁর দায়িত্বকালীন সময়ের আয়-ব্যয়ের সকল হিসাব ক্যাশ বই ও ভাউচারে সঠিকভাবে লিপিবদ্ধ রয়েছে। নিরীক্ষা অধিদপ্তরের তদন্তেও কখনো আর্থিক অনিয়মের প্রমাণ মেলেনি। অথচ সাবেক এডহক কমিটির সভাপতি খোরশেদ আলম একক সিদ্ধান্তে নিয়ম বহির্ভূতভাবে কারণ দর্শানো নোটিশ ও সাময়িক বহিষ্কারের আদেশ দেন, যা ম্যানেজিং কমিটির প্রবিধানমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। তিনি অভিযোগ করেন, উদ্দেশ্যমূলক ও ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
গত ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখ বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, কমিটির সদস বৃন্দ সহ শত শত মানুষের সামনে আমি পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে আমার হিসাব তুলে ধরি। সভাপতি সাহেবও উপস্থিত ছিলেন। সেখানে সভাপতিকে উদ্দেশ্য করে কয়েকবার বলা হলেও তিনি অর্থ আত্মসাৎ এর কোন প্রমান দিতে পারেন নাই। পরে বলেছেন ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫ ইং তারিখে বিদ্যালয়ে এসে সমস্যা সমাধান করবেন কিন্তু তিনি আর বিদ্যালয়ে না এসে পদপদবির ক্ষমতা দেখিয়ে বিভিন্ন দপ্তরে প্রভাব খাটিয়ে রিপোর্ট তৈরী করেন যা উদ্দেশ্যমুলক।
এসময় উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ বলেন, মোহনপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলমগীর হোসেন কোন অর্থ আত্বসাৎ করেনি তবে তদন্ত প্রতিবেদনে বলা আছে ব্যাংকের মাধ্যমে লেনদেন করেননি। আমার দাবী কমিটির সকল সদস্যদের মতামত ছাড়া সভাপতির একক সিদ্ধান্তে বহিস্কার করতে পারেন না। আর যদি প্রধান শিক্ষক অন্যায় করে থাকেন তাহলে কমিটির মতামতের মাধ্যমে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নিতে পারতেন।
এলাকাবাসীর পক্ষে সাবেক প্রধান শিক্ষক খলিলুর রহমান বলেন, আমরা এলাকাবাসী চাই না আমাদরে স্কুলের সুনাম নস্ট হয়ে যাক। চার গ্রাম ও স্কুলের স্বার্থে মামলা মোকদ্দমা থেকে স্কুলটা বাঁচাতে প্রধান শিক্ষককে বহাল রাখতে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষন করছি। স্কুল কমিটির শিক্ষক প্রতিনিধি মনিরুল হক বলেন, সাবেক সভাপতি খোরশেদ আলমকে পেয়ে স্কুলের শিক্ষক সমাজ গ্রামবাসীসহ সকলে আনন্দিত হয়ে ছিলাম । তিনি স্কুলের দায়িত্ব পেয়ে এডহক কমিটির সদস্যদের কাজ থেকে সাদা কাগজে স্বাক্ষর নিয়ে যান পরে মিটিং এ আলোচনা হয়নি এমন বিষয়েও রেজুলেশনে লিখতেন। এসব বিষয় আমাদের নজরে আসার পর আমরা আর অগ্রিম স্বাক্ষর করিনি। তার পর থেকে সভাপতি ক্ষিপ্ত হয়ে প্রধান শিক্ষককে বহিস্কার করার জন্য মিথ্যা একাধিক অর্থ আআত্মসাৎ এর অজুহাত দিয়ে বহিস্কার করার পায়তারা করছে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, দুয়ারিয়া এজি মডেল একাডেমির অধ্যক্ষ আবু সেলিম ভূইয়া, দেবিদ্বার আলহাজ্ব আজগর আলী মুন্সি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: আলী আকবর, ছোটনা মডেল উচ্চ বিদ্যালয়রে প্রধান শিক্ষক মো: খালিদ হোসেন, স্কুলের সাবেক ম্যনিজিং কমিটির সদস্য মিজানুর রহমান বেপারী ও জাকির হোসেন, স্কুল কমিটির সাবেক শিক্ষক প্রতিনিধি মনিরুল হক, মো: মোতালেব হোসেন ও স্কুল শিক্ষক মনিরুল ইসলাম প্রমূখ

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অনন্য ক্যাটাগরির সংবাদ
© All rights reserved © Comillakantha.com
Theme Customized By Mahfuz