
স্টাফ রিপোর্টার।
কুমিল্লা-৯ (লাকসাম- মনোহরগঞ্জ) আসনে ১৩ টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে পত্রের মধ্যে ৮ জনের মনোনয়ন পত্র বাতিল ঘোষণা করেছে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা। এর মধ্যে জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী এবং বিএনপি ২ বিদ্রোহী প্রার্থী ও রয়েছেন।
আজ শনিবার ( ৩ জানুয়ারি) সকালে দ্বিতীয় দিনের মত কুমিল্লার ১১ টি নির্বাচনী আসনের মধ্যে ৭ থেকে ১১ নং আসনের মনোনয়ন পত্র যাচাই-বাছাই করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মু. রেজা হাসান। এর আগে গতকাল শুক্রবার কুমিল্লা ১ থেকে ৬ আসন পর্যন্ত মনোনয়ন যাচাই বাছাই করা হয়।
বাতিল হওয়া ৮ জন প্রার্থীর মধ্যে ৪ জন প্রার্থীর এক শতাংশ ভোটার তালিকায় অসামঞ্জস্য, তথ্য গোপনসহ বিভিন্ন কারণে মনোনয়ন বাতিল বলে গণ্য করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।
মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়ার পর বিএনপি’র স্বতন্ত্র প্রার্থী সামিরা আজিম দোলা বলেন, ‘আমার মনোনয়ন পত্রের বিষয় সিদ্ধান্তটি এখনো স্থগিত রাখা হয়েছে। যে কারণে স্থগিত করা হয়েছে আমরা তা ঠিক নয় বলে প্রমাণ করবো। প্রয়োজনে কমিশনে আপিল করবো।
এদিকে, বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী রশিদ আহমেদ হোসাইনীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ার পর তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আবুল কালামের পাশে দাঁড়িয়ে ধানের শীষের জন্য ভোট চাইতে দেখা গেছে। এসময় তিনি বলেন, ‘তারেক জিয়ার হাতকে শক্তিশালী করার জন্য ধানের শীষে মার্কাতেই ভোট দিতে হবে।’ কিন্তু এর আগে তিনি বিএনপি থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন এবং দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে স্বতন্ত্র পদে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমা দেন।
কুমিল্লা ৯ আসনে যারা বৈধ ও বাতিল ঘোষণা হয়েছেন তাঁরা হলেন, কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) বিএনপির আবুল কালাম (বৈধ), জামায়াতের ড. সৈয়দ একেএম সরওয়ার উদ্দিন ছিদ্দিকী (বৈধ), স্বতন্ত্র সামিরা আজিম দোলা (বাতিল) ও রশিদ আহমেদ হোসাইনী (বাতিল), জাতীয় পার্টির গোলাম মোস্তফা কামাল (বাতিল), ইসলামী আন্দোলনের সেলিম মাহমুদ(বৈধ), ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের আবু বকর সিদ্দিক(বৈধ), বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের মিজানুর রহমান চৌধুরী(বৈধ), বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মো.মাহবুবুর রহমান (বাতিল), খেলাফত মজলিসের আবদুল হক আমিনী (বাতিল,) স্বতন্ত্র ইয়াছির মোহাম্মদ ফয়সাল আশিক (বাতিল), মোহাম্মদ মফিজুর রহমান (বাতিল), মোহাম্মদ আবুল কাশেম।
কুমিল্লা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মু.রেজা হাসান বলেন, কুমিল্লা ৯ আসনে ভোটার তালিকা অসামঞ্জতাসহ বিভিন্ন কারণে বেশ কিছু প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। বাতিলকৃত প্রার্থীরা যদি ইচ্ছা করেন তাহলে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবে।