
নিজস্ব প্রতিবেদক:
কুমিল্লা -৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন কেন্দ্রীয় বিএনপির শিল্প বিষয়ক সম্পাদক, লাকসাম উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. আবুল কালাম। ক্লিন ইমেজের এই কেন্দ্রীয় নেতাকে দলের মনোনয়ন দেওয়ায় উৎফুল্ল বিএনপির তৃণমূলের নেতাকর্মীরা।
লাকসাম ও মনোহরগঞ্জ উপজেলার বিএনপির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিতর্কের বাইরে থাকা আবুল কালাম গত ১৭ বছর ধরে বিএনপিকে সংগঠিত রেখেছেন লাকসাম ও মনোহরগঞ্জে। সাবেক মন্ত্রী তাজুল ইসলামের রোষানলে পড়ে দিনের পর দিন মামলা-হামলার শিকার হয়েছেন, সেসব নেতাকর্মীদের পরিবারের পাশে ছিলেন আবুল কালাম। মামলায় জর্জরিত তৃণমূলের বাড়িছাড়া নেতাকর্মীদের সার্বিক সহযোগিতা করে গেছেন বিএনপির এই কেন্দ্রীয় নেতা। ১৭ বছর আগলে রাখা নেতাকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মনেনীত করায় বেশ খুশি নির্যাতনের শিকার সেসব বিএনপির তৃণমূলের নেতাকর্মীরা।
লাকসাম উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান বাদল বলেন, জুলুম-নির্যাতন সহ্য করে দীর্ঘ ২৫ বছর আন্দোলন সংগ্রামে মাঠে ছিলাম। লাকসাম-মনোহরগঞ্জের নেতাকর্মীদের পাশে থেকেছি, দলের মধ্যে বিভেদ বিভাজন নেই। এসবের মূলে ছিলেন আবুল কালাম ভাই। আবুল কালাম ভাইকে মনোনয়ন দেওয়ায় তৃণমূলের বিএনপির নেতা কর্মীরা অনেক খুশি। আশা করছি তিঁনি আগামী নির্বাচনে তিনি নিরঙ্কুশ বিজয়ের মাধ্যমে আসনটি বিএনপিকে উপহার দিতে পারবেন।
মনোহরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব ইলিয়াস পাটোয়ারী বলেন, দেড় যুগ ধরে আন্দোলন সংগ্রামে নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন আবুল কালাম ভাই। তাঁকে মনোনয়ন দিয়ে দল যথোপযুক্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আবুল কালামকে বিজয়ী করতে বিএনপির নেতৃবৃন্দ ঐক্যবদ্ধ।
এ বিষয়ে বিএনপির মনোনয়ন প্রাপ্ত বিএনপির শিল্প বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম বলেন, পতিত স্বৈরাচার সরকারের মিথ্যা মামলায় দিনের পর দিন আমকে হয়রানি করেছে। সাবেক মন্ত্রী তাজুল ইসলাম আমার বাড়িঘর ভাঙচুর করেছে। আমার নেতাকর্মীদের বাড়িতে উঠতে দেয়নি। আমি তাদের পাশে ছিলাম সবসময়। আমি সেবার রাজনীতি করি। রাজনীতি থেকে আমার নেওয়ার কিছু নেই। আমি দিতে এসেছি। গত ১৭ বছর বিএনপির দুই উপজেলার প্রতিটি শাখায় কমিটি শক্তিশালী করেছি। বিএনপি আমাকে মনোনয়ন দিয়েছে, আমি সকলকে নিয়ে দলকে এই আসনটি উপহার দিব ইনশাআল্লাহ।