রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ০১:০৯ অপরাহ্ন
সারাদেশে
শিক্ষা খাতে যখনই বাজেট আসবে তখন চিল্লাইয়া বলব ভিক্টোরিয়া কলেজ; কৃষিমন্ত্রী কুমিল্লায় বিএনডিএস ‘বর্ষবরণ বিতর্ক উৎসব ১৪৩৩’ অনুষ্ঠিত এবারও এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে হেলিকপ্টার নিয়ে যাবেন শিক্ষামন্ত্রী প্রথমবারের মতো চলন্ত ট্রেনে চালু হলো স্টারলিংকের ইন্টারনেট সেবা জনগণের সাথে দুর্ব্যবহার ও হয়রানি করবেন না: হাসনাত আব্দুল্লাহ এমপি দেশের মানুষের প্রত্যাশা এখন সুশাসিত ও সুন্দর বাংলাদেশ- কৃষিমন্ত্রী কুসিকের ৬ষ্ঠ প্রশাসক হলেন মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক টিপু ছায়া বিতানের ময়লা ভিক্টোরিয়া কলেজে কুমিল্লা শ্রীকাইল গ্যাস ক্ষেত্রের ৫ নম্বর কূপ উদ্বোধন ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে বড় ভাইের মৃত্যু

বুড়িচংয়ে ঘরে ঘরে জ্বর-সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত শিশুরা

  • আপডেট সময়: শনিবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১৪২ দেখেছেন :

প্রতিনিধি, বুড়িচং

কুমিল্লার বুড়িচংয়ে ঘরে ঘরে বাড়ছে জ্বর, সর্দি, কাশি ও গলা ব্যথার রোগী। প্রাপ্তবয়স্কদের পাশাপাশি সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা। প্রতিদিনই জ্বর ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত শিশুরা ভর্তি হচ্ছে বুড়িচং সরকারি  হাসপাতালে।

 ১৬ নভেম্বর  থেকে ২৮ নভেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত (১২ দিনে) হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি হয়েছে -১০৫ জন শিশু, প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ – মহিলা ২২৮ জন  রোগী। গড়ে ৪০ জন আসা যাওয়া থাকে।

হাসপাতালের বহিঃবিভাগে প্রতিদিন গড়ে ২০০ থেকে ৩০০ শিশু রোগী চিকিৎসা নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। নার্স ও চিকিৎসকরা রোগীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। তাদের নিরলস সেবায় অনেক অভিভাবক সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।

রাতে শিশু ওয়ার্ডে ডিউটি একজন নার্স বলেন, এখন শিশু রোগীর চাপ আগের যে কোনো সময়ের তুলনায় বেশি।

তবে চেষ্টা করছি যেন কোনো শিশুর চিকিৎসা বিলম্ব না হয়।

পীরযাত্রাপুর ইউনিয়ন কুসুমপুর গ্রামের মোস্তফা  জানান, আমার ছেলের হঠাৎ জ্বর আর কাশি শুরু হয়। বাড়িতে ওষুধ খাওয়ানোর পরও কমছিল না, তাই হাসপাতালে আনি। ডাক্তাররা বলেছেন, ছেলেটার নিউমোনিয়া হয়েছে। চিকিৎসা নিয়ে কোনো অভিযোগ নেই।

ষোলনল ইউনিয়ন শিকারপুর এলাকার গৃহিণী আয়েশা   বলেন, হঠাৎ করে দুদিন আগে আমার ৮ মাসের বাচ্চা ঠান্ডা-কাশিতে আক্রান্ত হয়।

স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা করিয়ে না কমায় আজ হাসপাতালে ভর্তি করিয়েছি। এ ছাড়া, আমার পরিবারের সব সদস্যই জ্বর-কাশি ও গলা ব্যথায় আক্রান্ত।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মালেকুল আফতাব ভূইয়া  বলেন, এটি মূলত ঋতু পরিবর্তনজনিত ভাইরাল সংক্রমণ। অধিকাংশ শিশুই নিউমোনিয়া, ঠান্ডা, কাশি ও ভাইরাল জ্বরে আক্রান্ত। শীত পুরোপুরি শুরু হলে এই সংক্রমণ আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এখনই অভিভাবকদের সচেতন হতে হবে।

তিনি আরও  বলেন, বাচ্চাদের বুকের দুধ খাওয়ানো চালিয়ে যেতে হবে। ছয় মাসের বড় বাচ্চাদের অন্যান্য খাবার দিতে হবে। আবহাওয়া নানান  জটিলতা   কারনে বিভিন্ন রোগ  বৃদ্ধি পায়। এতেই শিশুদের যত্ন বা সচেতন না হলে তাদের বিভিন্ন রোগে আক্রান্তের ঝুঁকি থাকে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অনন্য ক্যাটাগরির সংবাদ
© All rights reserved © Comillakantha.com
Theme Customized By Mahfuz