
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) পিলখানা হত্যাকাণ্ডের 'জাতীয় শহিদ সেনা দিবস' উপলক্ষে ঢাকা সেনানিবাসের মাল্টিপারপাস হলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। সেনাপ্রধান বলেন, পিলখানা ট্র্যাজেডির পর শহিদ পরিবারগুলোর যে সংগ্রামী জীবন শুরু হয়েছিল, তা ছিল অত্যন্ত বেদনাদায়ক। শহিদ সেনা সদস্যদের সন্তানরা বড় হওয়ার পথে মা-বাবার স্নেহ-মমতা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। তবে তারা একা নয়, শহিদদের প্রতিটি সন্তান আমাদেরই সন্তান।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সবসময় এসব পরিবারের পাশে আছে এবং ভবিষ্যতেও সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে বলে তিনি দৃঢ় আশ্বাস দেন। মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা স্মরণ করে জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান জানান, মুক্তিযুদ্ধের মহান আত্মত্যাগের মাধ্যমেই বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মধ্যে এক অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দুই বাহিনী আজও কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি যেন আর কখনো না হয়, সে বিষয়ে সেনাবাহিনী বদ্ধপরিকর বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিকে 'ঐতিহাসিক' আখ্যা দিয়ে সেনাপ্রধান বলেন, শত ব্যস্ততার মধ্যেও দায়িত্ব গ্রহণের অল্প সময়ের মাথায় প্রধানমন্ত্রী শহিদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এসেছেন। তার এই উপস্থিতি শোকাতুর পরিবারগুলোর মাঝে নতুন করে আস্থা ও আশার সঞ্চার করেছে। এ সময় তিনি সরকারপ্রধানের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান। পরিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার কাজে কার্যকর ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান সেনাপ্রধান।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ কামাল উদ্দিন
অফিসঃ হাজী তারু মিয়া ম্যানশন ( ৩য় তলা), কান্দিরপাড়, আদর্শ সদর, কুমিল্লা। মোবাইলঃ ০১৭১১১৮২৬৭২। Email Comillakantha@gmail.com. jkamal.uddin76@gmail.com